exercise

সকালের ব্যায়াম এর উপকারিতা

সকালের ব্যায়াম এর উপকারিতা ,একাধিক গবেষণা বলছে, দিনের যেকোনো সময়ের পরিবর্তে সকালে ব্যায়াম করলে বেশি কাজে দেয়। সকালে ব্যায়াম করলে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক এবং কিছু কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস পায়। সকালবেলা শরীর কার্বোহাইড্রেটের বদলে ফ্যাট বা চর্বিকে শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করে। More

 

ব্যায়াম করার উপকারিতা ও অপকারিতা

ব্যায়াম করার উপকারিতা ও অপকারিতা
ব্যায়াম করার উপকারিতা ও অপকারিতা

সকালবেলা শরীর কার্বোহাইড্রেটের বদলে ফ্যাট বা চর্বিকে শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করে। কেননা বেশির ভাগ কার্বোহাইড্রেট বা গ্লুকোজ রাতের বেলায় শরীরকে সাপোর্ট দিতেই ব্যবহার হয়ে যায়। তাই মেদ বা ফ্যাট কমাতে চাইলে সকালের দিকে ব্যায়াম করা ভালো। যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়, তাদের উচিত প্রতিদিন সকালে শরীরচর্চা করা। Next

সবচেয়ে উপকারী ব্যায়াম

সবচেয়ে উপকারী ব্যায়াম
সবচেয়ে উপকারী ব্যায়াম

নিয়মিত ব্যায়াম খুব প্রয়োজনীয় শারীরিক ফিটনেস ও ভালো স্বাস্থ্যের জন্য।এটা বড় বড় রোগ যেমন হৃদরোগ, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিকস ও অন্যান্য রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

ব্যায়াম আপনার চেহারার আবেদন বাড়াতে এবং দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া ঠেকাতে সাহায্য করবে। তাই সুস্থ থাকতে ব্যায়ামের কোন বিকল্প নেই।

প্রতিদিন ব্যায়ামের উপকারিতা

প্রতিদিন ব্যায়ামের উপকারিতা
প্রতিদিন ব্যায়ামের উপকারিতা

হৃদ্ররোগ, সংবহন তন্ত্রের জটিলতা, টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং স্থূলতা রোধে শারীরিক ব্যায়াম কার্যকর ভূমিকা রাখে। এছাড়া মানসিক অবসাদগ্রস্ততা দূর করতে, ইতিবাচক আত্মসম্মান বৃদ্ধিতে,

সামগ্রিক মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষায়, ব্যক্তির যৌন আবেদন বৃদ্ধি, শরীরের সঠিক অনুপাত অর্জনে শারীরিক ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যোগ ব্যায়াম এর উপকারিতা

যোগ ব্যায়াম এর উপকারিতা
যোগ ব্যায়াম এর উপকারিতা

যোগাসন আমাদের পেটের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ—যেমন পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্র, যকৃৎ কার্যকর করে। ফলে হজমশক্তি উন্নত হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। *চাপ দূর করতে যোগাসনের বিকল্প নেই। *

শরীরের রক্তসঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে যোগাসন, যার ফলে অভ্যন্তরীণ শক্তিপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়, ফলে আমরা কর্ম–উদ্যমী হয়ে উঠি।

ওজন কমানোর যোগ ব্যায়াম

ওজন কমানোর যোগ ব্যায়াম
ওজন কমানোর যোগ ব্যায়াম

এই ব্যায়ামটি করার সময় নিচে নরম কাপড় দিয়ে নেবেন। ছবিতে যেভাবে দেখানো আছে, সেভাবে প্রথমে হাঁটু ভাঁজ করে হাঁটুর ওপর দাঁড়ান। শরীরের দুপাশে হাত রাখুন। এবার আস্তে আস্তে পেছনের দিকে বাঁকিয়ে প্রথমে এক হাত পরে দুই হাত দিয়ে পায়ের গোড়ালি ধরতে হবে।

এবার আস্তে আস্তে পেছনের দিকে বাঁকিয়ে বুক এবং পেট প্রসারিত করতে হবে। এসময় শরীরের ওজন হাত ও পায়ের ওপর থাকবে এইভাবে ৩০ সেকেন্ড থেকে এক মিনিট পর্যন্ত থাকতে পারেন। তারপর আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসুন।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button